গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গাভীর ওলানপ্রদাহ রোগের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) ‘গাভীর ওলানপ্রদাহ রোগের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য মলিকুলার ডায়াগনুস্টিক কিট ও প্রোবায়োটিক-ভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থা উদ্ভাবন’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এটি Higher Education Acceleration and Transformation (HEAT) প্রকল্পের অর্থায়নে গৃহীত “Development of an On-site Molecular Diagnostic Kit and Probiotic Based Therapeutic Product for Sustainable Management of Bovine Mastitis” উপ-প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালা।

গাকৃবির গাইনিকোলজি, অবস্টেট্রিক্স অ্যান্ড রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ বিভাগের উদ্যোগে উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

1000531914

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাকৃবির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন HEAT প্রকল্পের এটিএফ ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট প্রফেসর ড. মো. মোজাহার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ।

বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মোশারফ উদ্দিন ভূঁইয়া এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এএমএএম জুনায়েদ সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, পরিচালক, গবেষক, শিল্প উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৮০ জন অংশগ্রহণ করেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আ. ন. ম. আমিনুর রহমান। প্রকল্পের মূল দিক ও গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রধান গবেষক ড. মো. নাজমুল হক। কর্মশালার উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীরা ওলানপ্রদাহ রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং গবেষণার নানা দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।

প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মো. মোজাহার আলী বলেন, প্রায় ১,৫০০ উপ-প্রকল্পের মধ্যে এ প্রকল্পটি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ায় এটি যুগোপযোগী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই উদ্ভাবিত মলিকুলার কিটের মাধ্যমে ওলানপ্রদাহ রোগ দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে, যা দুগ্ধ উৎপাদনে টেকসই পরিবর্তন আনবে।