গোপালগঞ্জে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২১ জন, আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে

গোপালগঞ্জে ২১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন সুস্থ্য হয়ে ঘরে ফিরেছে। গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস জানিয়েছে, গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ১৪ জন, মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন ও  টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। 

আক্রান্তদের মধ্যে জেনারেল হাসপাতালে ৯ জন, মুকসুদপুরে ১ জন ও টুঙ্গিপাড়ায় ২ জন চিকিৎসাধীন। জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৫ জন, মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৩ জন ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ১ জন সুস্থ্য হয়ে ঘরে ফিরেছেন।

এদিকে, ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। গোপালগঞ্জের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু নির্ণয়ের কোনো ব্যবস্থা নাই। এ কারণে ডেঙ্গু পরীক্ষায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

গোপালগঞ্জে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশু। ছবি: ইত্তেফাক

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. তরুণ মন্ডল বলেন, আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ ঢাকা থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েই গোপালগঞ্জে এসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আবার কেউ কেউ গোপালগঞ্জ থেকেও আক্রান্ত হয়েছেন। যে কারণে গ্রাম বা শহরের সর্বত্রই এখন ডেঙ্গু আতঙ্ক বিরাজ করছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ২৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত মল্লিক বলেন, ‘ডেঙ্গুতে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। সচেতনতার সঙ্গে এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করে সুস্থ থাকা সম্ভব। এডিস মশার প্রজনন বন্ধে বাড়ির আশপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। দিনে ও রাতে মশারী টানিয়ে ঘুমাতে হবে।’

ইত্তেফাক/নূহু