সাভারের বাইপাইল নয়, শনিবার সকালের মৃদু ভূমিকম্পটি হয়েছিল নরসিংদীতে।
বেলা একটার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ দশমিক ৩ মাত্রার এই ভূমিকম্পের উৎস জানিয়েছিল সাভারের আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকা। পরে বিকেল ৪টার দিকে জানায়, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর পলাশ উপজেলা। বিশ্লেষণে সমস্যার কারণে এই ভুল হয়েছিল বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মূলত শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে ১২ সেকেন্ডে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ভূমিকম্পের তীব্র ঝাঁকুনিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ কেঁপে ওঠে।
মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে একই এলাকায় অনুভূত হওয়া ভূমিকম্প শুক্রবার হওয়া কম্পনের আফটার শক বলে জানিয়েছেন ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবায়েত কবির।
তিনি জানান, আশুলিয়ায় অনভূত ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল নরসিংদীর পলাশে। এটি শুক্রবারের মাধবদীতে অনুভূত হওয়া কম্পনের আফটার শক। আফটার শক ১০-২০ কিলো দূরেও হতে পারে। সেক্ষেত্রে শুক্রবারের ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থলের কাছেই হয়েছে এটি।
সামনে বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কার কথা জানিয়ে রুবায়েত বলেন, ‘গত ১০০ বছরে ঢাকায় এমন ভূমিকম্প হয়নি। যেটি গতকাল হয়েছে। আমরা বড় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি।’
এর আগে গতকাল শুক্রবার সকালে ভূমিকম্পের তীব্র ঝাঁকুনিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ কেঁপে ওঠে। এ ঘটনায় শিশুসহ ১০ জন নিহত ও ছয় শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এতে সবচেয়ে বেশি—পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে নরসিংদীতে। ঢাকায় চার ও নারায়ণগঞ্জে একজন মারা যান। ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে অনেকেই ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েন। এ ছাড়া কিছু ভবন হেলে পড়ে ও ফাটল দেখা দেয়।