স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, 'এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।' বুধবার রাজধানীর গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারণা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'এডিস মশা যেহেতু ছাদে, ফুলের টবে এবং অন্যান্য জায়গায় জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে জন্মে ও বংশ বিস্তার করে কাজেই এ বিষয়ে সকলের সচেতনতার বিকল্প নেই। জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ২৫ থেকে ৩১ জুলাই দেশব্যাপী 'মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ' পালন করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ ও এর আওতাধীন দপ্তর অথবা সংস্থাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ অথবা দপ্তর সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছে।' শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে এলজিআরডি মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য একেএম রহমতুল্লাহ, বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী এক সচেতনতামূলক র্যালীতে অংশগ্রহণ করেন। মন্ত্রী অল্প সময়ে অধিক এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে মোটর সাইকেলে মশক নিধন যন্ত্রের উদ্বোধন করেন।
আরও পড়ুন: নবাবগঞ্জে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, বর্তমানে আক্রান্ত ১৮ জন
উল্লেখ্য, ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ হতে নাগরিকদের রক্ষায় স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় অথবা বিভাগ ও দপ্তর অথবা সংস্থা ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশার প্রজনন স্থল বিনষ্টকরণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা এবং লার্ভা ও মশা নিধন ইত্যাদি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মশক নিধন অভিযান যথাযথ বাস্তবায়ন, সমন্বয় ও নিবিড় তদারকির মাধ্যমে এ কার্যক্রমকে সফল করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি