চুয়াডাঙ্গার ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তির তালিকায় ‘মিস জুলেখা খাতুন’ নামে এক ছাত্রীর নাম প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়টি শুধু বালকদের জন্য হলেও তালিকায় একটি মেয়ে শিক্ষার্থীর নাম আসায় অনেকে লটারির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ডিজিটাল পদ্ধতিতে লটারি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টার পর অনলাইনে ও বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে ফলাফল প্রকাশিত হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রকাশিত তালিকায় ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণি (দিবা শিফট) ভর্তি তালিকার ৭১ নম্বর সিরিয়ালে উঠে আসে ‘মিস জুলেখা খাতুন’-এর নাম। ফল প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও সাধারণ অভিভাবকদের মধ্যে লটারি কার্যক্রম নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।
অভিভাবকরা বলছেন, প্রতি বছরই ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও ভুলের অভিযোগ শোনা যায়। এর আগেও চুয়াডাঙ্গার দুইটি বালক-বালিকা বিদ্যালয়ে একই ধরনের ভুল হয়েছিল। এবারও ডিজিটাল লটারিতে এমন ত্রুটি দেখা যাওয়ায় অভিভাবকদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
লটারিতে নাম আসা ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা শিক্ষা অফিসার (অ.দা.) জেসমিন আরা খাতুন বলেন, আমি চাকরি পরীক্ষার হলে আছি, পরে কথা বলবো।
চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। যেহেতু ভর্তি লটারির পুরো প্রক্রিয়া ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাই যদি বালক বিদ্যালয়ের তালিকায় বালিকার নাম আসে, এটি ঢাকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংশোধন করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ১২ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তির লটারিতে সাবিহা ইসলাম নামে এক বালিকার নাম আসে। এক শিক্ষার্থীর নাম একাধিকবার এসেছিল। এছাড়া, চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েও এক শিক্ষার্থীর নাম একাধিকবার এসেছে। ফলে অভিভাবকদের মধ্যে লটারি কার্যক্রম নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়।