জামালপুরে ৪২ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে গত ২২ জুলাই থেকে ১আগস্ট পর্যন্ত ৪২ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ৭ জনের জ্বর ভাল হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এছাড়া একজন রোগী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছে।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. প্রফুল্ল কুমার সাহা এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার শফিকুজ্জামান জানান, গত ২২ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৪২ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আক্রান্তরা হলেন, জামালপুর সদর উপজেলার বানিয়া বাজার গ্রামের আমিনুল ইসলামের  ছেলে ছানোয়ার হোসেন(২৫), হাটচন্দ্রা গ্রামের শামছুল হকের ছেলে কবির হোসেন (২৫), মানিকের চর গ্রামের উমর আলীর ছেলে সোহেল মিয়া (২০), হাামিদপুর গ্রামের হাবিবুরের ছেলে তালাত মাহমুদ (২২), কেন্দুয়া কুমারপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মাছুদ রানা (৩৫), দিগপাইত এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আসাদুল (২০), গজারিয়া গ্রামের মফিজের ছেলে আলিফ (২৪)), দেওরপাড় চন্দ্রা গ্রাামের সোহরাব আলীর ছেলে মিলন হোসেন (২৫),  নান্দিনা বাজারের রুহুল আমিনের ছেলে শান্ত আমিন (২২), পশ্চিম জামিরাবাদ গ্রামের হাসেন আলীর ছেলে রুবেল উদ্দিন (৩৩), চর যথার্থপুর গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে সাদ্দাম (১৭), বেলটিয়া গ্রামের রফিকুলের ছেলে সৌরভ (২৫), তিরথা গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর (২১), সর্দারপাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে মারুফ (১৯) এবং কেন্দুয়া গ্রামের ইমান আলীর ছেলে মাহমুদুল ইসলাম (১৯)।

এছাড়া মেলান্দহ উপজেলার  কোনা মালঞ্চ গ্রামের হারুন-অর-রশিদ এর ছেলে আব্দুর রহিম (২৩), একই উপজেলার রঞ্জু আহম্মেদের ছেলে রায়হান (২৫) আব্দুল করিমের ছেলে হামিদুল্লাহ্ (২২)। বকশীগঞ্জ উপজেলার সুরুজ মিয়ার ছেলে সোহেল (২৩), একই উপজেলার ফারুখের ছেলে হাসিবুল (১৯), ইসরাফিলের ছেলে কনক (১৭)।

ইসলামপুর উপজেলার আতাব আলীর ছেলে রাসেল (২৫), একই উপজেলার ইসরাফিলের ছেলে হারুন-অর-রশিদ (৪০), হারিয়াবাড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে শেখ সাব্বির (২১) (সে ভর্তি হওয়ার পর পালিয়ে যায়), একই উপজেলার সামিদুল হকের ছেলে  পিয়াস (২০) এবং দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সেলিম রেজার ছেলে সাব্বির (২২)সহ সারা জেলায় এপর্যন্ত ৪২জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে  চিকিৎসা নিচ্ছেন। 

আরও পড়ুন: পদ্মা আড়িয়াল খাঁ নদীকে নিয়ে আমাদের বড় প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে: চিফ হুইপ

আবাসিক মেডিকেল অফিসার শফিকুজ্জামান বলেন, অধিকাংশ রোগী ঢাকায় বসবাস করছিলেন। তারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এলাকায় এসেছেন।

ইত্তেফাক/নূহু