সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে জেলায় আরও ১৪জন ডেঙ্গু রোগীকে শনাক্ত করা গেছে। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে।
এর মধ্যে সিরাজগঞ্জে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৬জন, নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন, এনায়েতপরের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন ও উল্লাপাড়ায় ২ জনসহ মোট ১৪ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
এছাড়া ঢাকা থেকে জীবাণু বহন করা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার ১১ ব্যবসায়ী, কর্মজীবী এবং ছাত্রছাত্রী খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন। এ হাসপাতাল থেকে আরো ১০ জন রোগী সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। চিকিৎসারত রোগীরা অনেকটাই সংকট মুক্ত।
যাদের হাসপাতালে ৩টি ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে তারা হলো, নাটোরের গুরুদাসপুরের খামার রাজকৈরের আব্বাস উদ্দিন, বগুড়ার নন্দীগ্রামের শ্রী মৃত্যুঞ্জয়, পাবনার ঈশ্বরদীর মনোয়ারা খাতুন, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার শেরনগরের তায়জুল ইসলাম, তামাইয়ের নজরুল ইসলাম, গাড়ামাসীর ইমন কর্মকার, শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহের মহির উদ্দিন, শক্তিপুরের আব্দুর রোউফ, রতনকান্দির রিফাত, এনায়েতপুর থানার বেতিলের শাহীন আলম, এনায়েতপুর মন্ডল পাড়ার শফিকুল ইসলাম।
বর্তমানে তারা শংকামুক্ত বলে জানিয়েছে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ নুর নাহার সাকি ও ডাঃ এসএম রেজাউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে আসা রোগীরা সবাই ঢাকা থেকে রোগ বহন করে এসেছে। সরকার নির্ধারিত ফিতে এখানে আমরা সার্বিক চিকিৎসা দিয়ে রোগীদের সুস্থ্য করছি। বর্তমানে যারা আমাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তাদের যথানিয়মে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই তারা সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে।’
এদিকে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পূর্ণবয়স্ক এডিস মশা ও তার লার্ভার সন্ধান পেয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জ থেকে অপহ্নত দুই কয়লা ব্যবসায়ী বাগেরহাটে উদ্ধার, গ্রেফতার ৩
তিনি জানান, গত দুই দিনে সিভিল সার্জন কার্যার্যলয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পর্যবেক্ষণ করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে পর্যাপ্ত লার্ভার সন্ধান পেয়েছেন। এছাড়া পূর্ণবয়স্ক এডিস মশার সন্ধানও পেয়েছেন তারা।
ইত্তেফাক/নূহু