উত্তরের জেলা নীলফামারীতে হিমেল হাওয়া ও ঘন মেঘের কারণে তীব্র শীতের কবলে পড়েছে জনজীবন। টানা দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের প্রকোপ আরও বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ।
ডিমলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার তাপমাত্রা ৯ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনের অধিকাংশ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় সূর্যের আলো না থাকায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। ফলে রাস্তাঘাট, বাজার ও শপিংমলগুলোতে লোকসমাগম কম দেখা যাচ্ছে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে সড়কে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।
জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা পড়েছেন চরম বিপাকে। রিকশাচালক নাহিদ ইসলাম বলেন, দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। প্রচণ্ড শীতে মানুষ রিকশায় উঠছে কম, আয়ও কমে গেছে। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
ডিমলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর সবুর জানান, মঙ্গলবার জেলায় সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। এমন আবহাওয়া আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জানান, চলতি শীত মৌসুমে জেলার ছয় উপজেলায় শীত মোকাবিলায় ৩৬ লাখ টাকা ও ৭ হাজার ৫০০ কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত শীতবস্ত্রের জন্য পুনরায় আবেদন করা হবে।