ইরান পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু মার্কিন সামরিক সদস্যকে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনজন কূটনৈতিক।
তবে কাতারের দোহায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও রয়টার্সের মন্তব্য চাওয়ার অনুরোধে এখনো সাড়া দেয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হলো আল উদেইদ। এখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন।
এক কূটনৈতিক রয়টার্সকে জানান, এটি কোনো পূর্ণাঙ্গ সেনা প্রত্যাহার নয়, বরং একটি “পোস্টার পরিবর্তন” বা নিরাপত্তা অবস্থান পুনর্বিন্যাস। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি বলেও জানান তিনি।
এর আগে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, যদি ওয়াশিংটন ইরানে হামলা চালায়, তাহলে তেহরান আঞ্চলিক দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাবে—এমন সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এই হুঁশিয়ারি আসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকির পর।
উল্লেখ্য, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বিমান হামলা চালানোর এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি থেকে কিছু সেনা ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি, জ্বালানি ও অর্থনীতি সংক্রান্ত সর্বশেষ খবর জানতে রয়টার্সের Gulf Currents নিউজলেটার নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।