১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের যারা হত্যা করেছেন এবং করিয়েছেন, যারা মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করেছেন এবং করিয়েছেন, সেই গোষ্ঠী নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা জোটের ছদ্দাবরণে তারা আবার বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থির করতে চাচ্ছেন-এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
হাবিব-উন-নবী খান সোহেল বলেন, ‘প্রশাসনের কেউ যদি জনগণের রায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে তাহলে দেশের মানুষ আবার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামবে।’
মানুষ যখন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, তখন নানামুখী ষড়যন্ত্রের কথাও কানে আসছে উল্লেখ করে বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর মানে এই নয়, নির্দলীয় নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যে আন্দোলন, তা আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু আমাদের সেই আন্দোলন আন্দোলনের জায়গায় রয়েছে।’
দেশের নাগরিকদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের পরিকল্পনা নিয়ে একটি দলের সমালোচনা প্রসঙ্গে সোহেল বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড করা হয়েছে নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য। তাদের টার্গেট একটাই, কোনোভাবে ক্ষমতায় গিয়ে তাদের বিষাক্ত দাঁত দেখানো।’
একটি গোষ্ঠী তাদের বিষাক্ত দাঁত লুকিয়ে রেখে একেক সময় একেক কথা বলছে মন্তব্য করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন,তাদের টার্গেট একটাই কোনোমতে ক্ষমতায় গিয়ে নিজস্ব চেহারা জনগণের সামনে তুলে ধরবে। সেই ভয়ংকর চেহারা জাতি আর দেখতে চায় না। ক্ষমতায় আসার জন্য এরা নানারকম উদ্ভট ফতোয়া দিবে।
একইসঙ্গে জনগণ এইসব ধর্ম ব্যবসায়ীদের ভোটের ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।