নির্দিষ্ট স্থানে নববর্ষের আতশবাজি ফোটানোর ব্যবস্থা করে যেতে চান রিজওয়ানা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণের দুটি উৎসকে বেশি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এর একটি হর্ন বাজানো আরেকটি আতশবাজি ফুটানো। একটা সুনির্দিষ্ট স্থানে যাতে শুধু নববর্ষে আতশবাজি ফোটানো হয়, যাওয়ার আগে তার ব্যবস্থা করে যাওয়ার চেষ্টা করবো।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যৌথ উদ্যোগে হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রার আয়োজন উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
 
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫-এর গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে আইনগতভাবে পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি পুলিশকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ তারাই সারাক্ষণ রাস্তায় থাকে। এরইমধ্যে ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকাকে নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এইসব এলাকায় মনিটরিং বাড়াতে হবে।’
 
তিনি বলেন, ‘আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে যদি বধির হওয়া থেকে বাঁচাতে হয়, শব্দদূষণের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, তবেই পরিবর্তন আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। হর্ন বাজানোটা আমাদের বহুদিনের চরম বদভ্যাস। এটা পরিবর্তনের জন্য যেমন আইন লাগে তেমনি মানুষেরও অভ্যাস পরিবর্তন করতে হয়।’