ভোটের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামী বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম তাহেরীর কাছে এ নোটিশ জারি করেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ৭ লাখ ৭০ হাজার ফলোয়ারসংবলিত ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ‘দ্য স্পেস’–এ প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ভোটের নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ আগে তিনি নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ৯১খ (২) ও ৯১খ (৩) অনুচ্ছেদ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার ৩, ১৮ ও ৩০ বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।
তাহেরীকে আগামী ২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন জানান, কারণ দর্শানোর নোটিশের অনুলিপি নির্বাচন কমিশনের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট আরও সাতটি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-৪ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন—
-
বিএনপি: এস এম ফয়সল
-
খেলাফত মজলিস: আহমেদ আব্দুল কাদের
-
ইসলামী ফ্রন্ট: মো. গিয়াস উদ্দিন
-
এবি পার্টি: মোকাম্মেল হোসেন
-
মুসলিম লীগ: শাহ মো. আল আমিন
-
বাসদ: মো. মুজিবুর রহমান
-
সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট: মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন
-
ইনসানিয়াত বিপ্লব: মো. রেজাউল মোস্তফা
-
স্বতন্ত্র: সালেহ আহমদ সাজন
-
স্বতন্ত্র: মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী
এই আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪৫ হাজার ২৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪০ হাজার ৯০ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৭১ হাজার ১৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।
নির্বাচনের জন্য ১৮৩টি স্থায়ী ভোটকেন্দ্র এবং মোট ১ হাজার ৫৭টি ভোটকক্ষ (স্থায়ী ১ হাজার ১৬টি ও অস্থায়ী ৪১টি) চূড়ান্ত করা হয়েছে।