বৃহত্তর আর্কটিক অঞ্চলের কৌশলগত অবস্থান, আর্কটিকের সামরিক গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক সম্পদের কথা উল্লেখ করে বারবার গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়া ও চীন অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় বলেও দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, গ্রিনল্যান্ড পরিস্থিতিতে কোনভাবেই মস্কো উদ্বিগ্ন নয়। এছাড়া রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, ওয়াশিংটন ভালো করেই জানে, রাশিয়া বা চীন কোনো দেশেরই এই দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা নেই।
বৃহত্তর আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ইস্যুতে গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদে রাশিয়া-চীনের প্রবেশাধিকার সীমিত করার উপায় নিয়ে আলোচনা করছেন পশ্চিমা কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, আলোচনার মধ্য রয়েছে- ন্যাটোভুক্ত নয় এমন দেশগুলোর গ্রিনল্যান্ডে খনিজ অনুসন্ধান লাইসেন্সের তদারকি কঠোর করা।
এদিকে ডেনমার্কে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ভ্লাদিমির বারবিন বলছেন, গ্রিনল্যান্ডে বিনিয়োগ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া কঠিন। কারণ, সেখানে অবকাঠামোগত ঘাটতি রয়েছে এবং পরিচালনা খরচও ব্যয়বহুল। আর্কটিক অঞ্চলে নিজেদের এলাকায় বড় আকারে প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ করে মস্কো।