ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে আটকে গেল ট্রেন, সিলেট রুটে বড় বিপর্যয়

চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়ে কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের মাগুরছড়া এলাকায় আটকা পড়ার পড়ে প্রায় ৫ ঘণ্টার জন্য ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।

সর্বশেষ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ট্রেনটি উদ্ধারের পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু হয় বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এর আগে ওই এলাকায় বেলা ১টার দিকে আটকে পড়ে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস। প্রায় ৫ ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে ট্রেনটি উদ্ধারে সক্ষম হয় রেল কর্তৃপক্ষ।

এদিকে মাঝপথে ট্রেন আটকা পড়ায় প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে সিলেটে সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন ওই রুটের যাত্রীরা। ওই বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে চারটি আন্ত:নগর এক্সপ্রেস ট্রেন। সিলেট রুটে নেমে আসে বিপর্যয়। প্রায় ৫ ঘণ্টা পর আটকে পড়া ট্রেনটি উদ্ধার করা হলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে বলে জানায় রেল কর্তৃপক্ষ।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্ত:নগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় দুপুর ১টায় লাউয়াছড়া বনের মাগুরছড়া অতিক্রমকালে আটকা পড়ে। এরপর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ট্রেনটি সেখানে অবস্থান করে। পরে আখাউড়া থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে আটকে পড়া ট্রেনটিকে ভানুগাছ স্টেশনে নিয়ে আসে। এ সময়ে দুপুর ২টা থেকে শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকাগামী জয়ন্তিকা ট্রেন, কুলাউড়া স্টেশনে ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন, শ্রীমঙ্গলে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন ও সাতগাঁও স্টেশনে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেন আটকা ছিল। 

ভানুগাছ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার এস এম গৌর প্রসাদ ও শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রজত কুমার রায় জানান, আখাউড়া জংশন থেকে রিলিফ ইঞ্জিন ট্রেন এসে আটকে পড়া পাহাড়িকা ট্রেনকে সন্ধ্যা ৬টায় ভানুগাছ নিয়ে আসে। তারপর বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়া ট্রেনগুলো চলাচল শুরু করে।