বাগেরহাটের ৪টি আসনে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চার শতাধিক  

বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের জেলার ৫৪৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৪০৯টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এসব ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বসানো হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি এসব কেন্দ্রে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও র‌্যাব সদস্যরা নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৪০৯টি ভোটকেন্দ্রের ১৮৬টি ভোট কেন্দ্রকে ‘উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচন কমিশন। ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ২২৩টি এবং  ‘সাধারণ’ ভোট কেন্দ্র ১৩৮টি। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বচনকে কেন্দ্র করে মূলত জেলার সব ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ইতোমধ্যে কেন্দ্রগুলোতে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। বাগেরহাটে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে দাবি প্রশাসনের।

বাগেরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (ভোটকেন্দ্র) প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে ভোট কেন্দ্রটিকে পুরোপুরি সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা ভালভাবে ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহণে সহায়ক হবে বলে আশা করছি।

বাগেরহাটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন জানান, বাগেরহাটের চারটি আসনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাগেরহাটে মোট ৫৪৭টি ভোটকেন্দ্রে ভোট হবে। এরমধ্যে ১৮৬টি ভোট কেন্দ্র উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ ২২৩টি ও সাধারণ ১৩৮টি ভোট কেন্দ্র। সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এবারে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে এরমধ্যে তিনজন থাকবে সশস্ত্র এবং সশস্ত্র পুলিশ সদস্যরাও থাকবে। এছাড়াও সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও র‌্যাব নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। বাগেরহাটে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট উপহার দিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

প্রসঙ্গত বাগেরহাটের চারটি আসনে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পাটি, স্বতন্ত্রসহ মোট ২৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।