বাংলাদেশের এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে লক্ষণীয় দিকটি হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই দিয়ে বানানো বিপুল পরিমাণ রাজনৈতিক কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া।
এনিয়ে বিবিসির সাংবাদিক শ্রুতি মেনন বলেন, জানুয়ারি থেকে ডজন-ডজন ফেসবুক পেজ পর্যবেক্ষণ করছি এবং এআই দিয়ে তৈরি শত শত রাজনৈতিক ভিডিও দেখেছি, যেগুলোর অনেকগুলোর কোথাও উল্লেখ নেই যে এগুলো কৃত্রিমভাবে তৈরি।
ক্লিপগুলোতে দেখা যায়, অতিমাত্রায় বাস্তবসম্মত কিন্তু কাল্পনিক সংবাদ উপস্থাপকদের, কম্পিউটার-নির্মিত ‘সাধারণ নাগরিকদের’ এবং পুলিশের মতো পোশাক পরা ব্যক্তিদের। প্রযোজনার মান এতটাই ঝকঝকে যে প্রথম নজরে ভিডিওগুলো বাস্তব বলে মনে হয়।
এআই দিয়ে বানানো এক ভিডিও—প্রায় ৮০ লাখ বার দেখা হয়েছে। সেখানে নীল রঙের ইউনিফর্ম পরা, সরকারি কর্মকর্তার মতো দেখতে একজন মানুষকে পক্ষপাতদুষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিতে দেখা যায়।
আরেকটি বহুল প্রচারিত ভিডিও, যেটি প্রায় দুই লাখ বার দেখা হয়েছে, তাতে দেখা যায়, কৃত্রিমভাবে তৈরি এক দোকানদার কেন তিনি একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেবেন না তা ব্যাখ্যা করছেন।
বাংলাদেশের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, বিভ্রান্তিকর এআই-নির্মিত কনটেন্ট তৈরি বা শেয়ার করা নিষিদ্ধ। তবে অনলাইনে এমন কনটেন্ট কীভাবে নজরদারি বা প্রয়োগ হচ্ছে—তা নিয়ে স্পষ্টতা এখনও খুব সীমিত।