কিশোরগঞ্জ–৫ (বাজিতপুর ও নিকলী) আসনে হাঁস প্রতীকে শেখ মজিবুর রহমান পেয়েছেন ৭৯,৬০৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের সৈয়দ এহসানুল হুদা পেয়েছেন ৬৬,৪৫০ ভোট।
সৈয়দ এহসানুল হুদা কিছুদিন আগেও বিএনপির রাজনীতিতে ছিলেন না। তিনি ‘বাংলাদেশ জাতীয় দল’ নামে একটি দলের চেয়ারম্যান ছিলেন। এবারের নির্বাচনে প্রথমে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন এবং পরে ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন পান।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি থাকা শেখ মজিবুর রহমান প্রথমে দলীয় মনোনয়ন পেলেও চূড়ান্ত তালিকায় তার নাম না থাকায় ক্ষোভ তৈরি হয়। দলের একটি অংশ প্রকাশ্যে তার পক্ষে অবস্থান নেয়। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়; তার পক্ষে কাজ করায় শতাধিক নেতা–কর্মীকেও বিভিন্ন পর্যায়ে বহিষ্কার করা হয়।
স্থানীয় নেতাদের মতে, এই ‘গণবহিষ্কার’ উল্টো প্রভাব ফেলেছে। বহিষ্কৃত নেতারা এটিকে রাজনৈতিক অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে নিয়ে শেখ মজিবুর রহমানের পক্ষে সক্রিয় হন—যার ফল ভোটে প্রতিফলিত হয়েছে।