বয়কটের কথা বললেও শেষ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলেছে পাকিস্তান। সেই ম্যাচে রীতিমতো ধরাশায়ী হয়েছে সালমান আলী আগার দল। এমন লজ্জার হারের পাকিস্তান দলকে নিয়ে চলছে কড়া সমালোচনা।
পাশাপাশি পিসিবির চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির কড়া সমালোচনা করেন সাবেক পাক পেসার শোয়েব আখতার। পিসিবি চেয়ারম্যানকে ‘অযোগ্য ও জাহিল’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। তবে ২৪ ঘণ্টা না যেতেই সুর পাল্টে ফেলেছেন শোয়েব আখতার।
পাকিস্তানের হারের জন্য পিসিবি চেয়ারম্যাকে দায়ী করে এবিপি নিউজে শোয়েব বলেন, ‘একজন মানুষ যিনি কিছুই জানেন না, তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়েছেন (মহসিন নাকভি)। আপনি কী করতে পারেন? দল কীভাবে চলবে? আপনি এমন একজন খেলোয়াড়কে (বাবর আজম) সুপারস্টার বানিয়েছেন যিনি আপনাকে ম্যাচ জেতাতে পারবেন না। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো অযোগ্য ব্যক্তিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ দেওয়া। আমরা যখন অযোগ্য এবং জাহিল (মূর্খ) ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেব, তখন তা দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। এটি যেকোনো ক্ষেত্রে ধ্বংস ঘটাবে।’
২৪ ঘণ্টা না যেতেই নিজের সুর পাল্টে ফেলেন শোয়েব। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের সঙ্গে আলাপকালে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শোয়েব বলেছেন, ‘“অযোগ্য” ও “জাহিল” শব্দ দুটি আমি মহসিন নাকভি ভাইকে উদ্দেশ্য করে বলিনি। দেখে মনে হতে পারে, যেন আমি তাকে বলেছি।’
বক্তব্য ভুল ভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে শোয়েব বলেন, ‘আমি যে অযোগ্যতার প্রসঙ্গ তুলেছি, সেটা ছিল বৃহত্তর দৃষ্টিকোণ থেকে— এমন একজন ব্যক্তি, যে কোনো প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে পারে। আমার ইঙ্গিত মহসিন নাকভির দিকে ছিল না, বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিচালনায় থাকা শীর্ষ কর্তাদের দিকে ছিল। কিন্তু টেলিভিশন চ্যানেল বিষয়টি ঘুরিয়ে দিয়েছে। একই অনুষ্ঠানে আমি এটাও বলেছি, মহসিন নাকভি সম্পর্কে খারাপ কিছু বলা উচিত নয়, তিনি ভালো মানুষ। তিনি পাকিস্তান ক্রিকেটকে সাহায্য করতে চান, তবে সঠিক পরামর্শ পান না।’
এরপরও নাকভির ওপর রাগ আছে বলে জানিয়েছেন শোয়েব বলেন, ‘আমি তার ওপর ক্ষুব্ধ, কারণ তিনি একটা অবস্থান নিয়েছিলেন, কিন্তু সেটাতে অটল থাকেননি। পুরো কমিউনিটি তার পাশে ছিল। ইউ-টার্ন নেওয়ার আগে তিনি আমার সঙ্গে আলোচনা করতে পারতেন।’