পরমাণু চুক্তি নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতিমধ্যেই ইরানের কাছে সমুদ্রে দুটি বিমানবাহী রণতরি পাঠিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এবার জানা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা দিয়েছে ৫০টির বেশি যুদ্ধবিমান। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিশ্ব। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ইরান যদি মাথানত না করে সেক্ষেত্রে তেহরানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মধ্যেই ওমান উপসাগরে সামরিক মহড়া চালিয়েছে ইরান।
জেনেভায় আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে পরমাণু-সংক্রান্ত বৈঠক শেষ হয়েছে। তারপরেই ফের উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে পশ্চিম এশিয়ায়। সূত্রের খবর, মার্কিন সামরিক বাহিনী ৫০টি যুদ্ধবিমান ইরানের খুব কাছেই নতুন করে মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে ওমান উপসাগরে রাশিয়ার সঙ্গে সেনা মহড়া চালাচ্ছে তেহরান। ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের উত্তরে তেহরান ও মস্কোর মধ্যে নৌ বাহিনীর যৌথ মহড়া হবে আজ বৃহস্পতিবার। আর এর ফলেই ইরান-আমেরিকার মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ আরো একধাপ বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
জেনেভা বৈঠক নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির দাবি, তেহরান ও ওয়াশিংটন চুক্তির মূল নীতিগুলোর বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছতে সক্ষম হয়েছে। জেনেভা বৈঠক নিয়ে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানিয়েছেন. কূটনৈতিক সমাধানের জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সব শর্ত দিয়েছিলেন তার সবগুলো মেনে নিতে রাজি নয় ইরান। মূল দাবিগুলো তারা মানছে না। তৃতীয় বার ফের তেহরান ও ওয়াশিংটন বৈঠকে বসবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। প্রসঙ্গত, পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প। ঐ চুক্তিতে রাজি না হলে ইরানকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। —বিবিসি ও রয়টার্স