শরীয়তপুরে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ককটেল বিস্ফোরণসহ বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট, আটক ৬

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৬ জনকে আটক করেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনগর জামেউল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে পূর্ব বিরোধ ছিল। এর জের ধরে রোববার (২২ মার্চ) বিকালে বিএনপি সমর্থক হাফিজ ভূইয়ার ছেলে সাব্বিরকে মারধরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর সোমবার ভোররাতে উভয় পক্ষ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ২০টি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। আহতদের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে কাজ করায় তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে। 

তবে প্রতিপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে এবং বিএনপি সমর্থকরাই এলাকায় অরাজকতা সৃষ্টি করেছে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাহার মিয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।