ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজে বাধা দেওয়ায় এক গ্রামপুলিশকে কারাদণ্ড

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলন বন্ধে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এক গ্রামপুলিশকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে এ দণ্ডাদেশ দেন পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশ রফিকুল ইসলাম (৪০)। তিনি একই ইউনিয়নের উফারমারা গ্রামের মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের করলাটারী এলাকার ধরলা নদী থেকে খননযন্ত্র (ড্রেজার মেশিন) ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তি অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলন করছিলেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে গ্রামপুলিশ রফিকুল ইসলাম আদালতের কার্যক্রমে বাধা দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনার সময় পাটগ্রাম থানার একদল পুলিশ সদস্য ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করেন।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত গ্রামপুলিশ রফিকুল ইসলামকে শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পুলিশ প্রহরায় লালমনিরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেন বলেন, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৬ ধারায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।