প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফুটসাল মাঠ চাইলেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিও করেন তিনি।
সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্রীড়াভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ দাবি করেন সাবিনা খাতুন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন অনুভূতি প্রকাশ করেন। তার অধিনায়কত্বেই বাংলাদেশ দুই বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবং সাফ ফুটসালে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তিনি ক্রীড়াবিদদের জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় ফুটসাল খেলার উন্নয়নে অবকাঠামোগত ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরে সাবিনা বলেন, অনেক স্পোর্টস অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। ফুটসাল প্রথমবার খেলতে গিয়েছিলাম, আমরা ভালো ফলাফল করেছি। বাংলাদেশে ভালো ফুটসাল গ্রাউন্ড নাই, আমাদের জন্য মাঠের ব্যবস্থা করেন।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, সাবিনা, সাবিনা তোমার যে মাঠের দাবিটা, এটা আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি। মোটামুটিভাবে শেষ হয়ে আসছে কাজটা। মেয়েরা যেন প্র্যাকটিস করতে পারে, খেলতে পারে সেটা মাঠ মোটামুটি সিলেকশন হয়েছে। অলমোস্ট ডান।
এর আগে নিজ কার্যালয়ে ক্রীড়াভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় ক্রীড়া কার্ড প্রদান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য পাওয়া ক্রীড়াবিদদের আর্থিক পুরস্কারও দেওয়া হয়।
প্রথম ধাপে ১২৯ জন খেলোয়াড়কে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
ভাতা ছাড়াও গত এক বছরে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য পাওয়া খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করা হয়। ব্যক্তিগত পর্যায়ে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জজয়ীরা যথাক্রমে ৩ লাখ, ২ লাখ ও ১ লাখ টাকা পান। দলগত ইভেন্টে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জজয়ীদের দেওয়া হয় ২ লাখ, দেড় লাখ ও ১ লাখ টাকা।