একের পর এক পরিচালকের পদত্যাগ, তবুও চেয়ারেই বসে থাকবেন বুলবুল 

অস্থির এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের বয়স এখনো ছয় মাস পূর্ণ হয়নি। এর মধ্যেই ২৫ পরিচালকের সাতজনই পদত্যাগ করেছেন। শুধু তাই নয়, গত দুই দিনেই পদত্যাগ করেছেন চারজন পরিচালক। এমন চাপের মুখেও নিজের পদ ছাড়তে রাজি নন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বোর্ড সভা শেষে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভিকে একটি সাক্ষাৎকার দেন বিসিবি সভাপতি। অনেকে বলছেন, পরিচালক কমতে কমতে বোর্ড একসময় অলআউট হয়ে যেতে পারে—সঞ্চালকের এমন প্রশ্নে মুখে হাসি ফুটিয়ে বুলবুল বলেন, ‘একটা চেয়ার নিয়ে বসে থাকবো। কী করবো? যাওয়ার জন্য আমিই থাকবো শেষ ব্যক্তি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার একটি অত্যন্ত নিবেদিত ও সৎ দল রয়েছে, তাদের নিয়ে আমি দেশের ক্রিকেটের সেবা করতে চাই।’

বিসিবি প্রধান বলেন, ‘কেউই অপরিহার্য নয়। আমি আইসিসিতে কাজ করা একমাত্র বাংলাদেশি। আমি বলছি না আমি বিশাল কিছু, কিন্তু অভিজ্ঞতার কারণেই আমি এখানে বসেছি। দেশের জন্য সবকিছু ছেড়ে এখানে এসেছি। যদি পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকে, তবে অন্য পথ দেখবো, কিন্তু আপাতত আমি দেশের পাশেই থাকতে চাই।’

সবশেষ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। রোববার (৫ এপ্রিল) তদন্ত প্রতিবেদন এনএসসিতে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির মুখোমুখি না হওয়া প্রসঙ্গে আমিনুল জানান, সময়ের সাথে সমন্বয় না হওয়ায় তিনি সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে লিখিত জবাব পাঠিয়েছেন। 

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা কাউন্সিলর মনোনয়নে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করে বুলবুল বলেন, ‘নির্বাচনের সাথে আমার সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অ্যাড-হক কমিটির মাধ্যমেই কাউন্সিলরদের নাম আসার কথা। যখন আমরা দেখলাম মাত্র ৩টি নাম এসেছে, তখন আমরা জেলা ও বিভাগগুলোকে পুনরায় চিঠি পাঠিয়ে নাম পাঠাতে বলেছিলাম। এই একটি জায়গাতেই আমার সম্পৃক্ততা ছিল।’

সূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো