রাজধানী ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অস্থায়ী পশুর হাট আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আজ বুধবার থেকে দুই সিটিতে কোরবানির পশুর হাট বসছে ২১টি স্থানে। গবাদিপশুর হাট ঈদের দিনসহ ছয় দিন চালু থাকবে। এছাড়া নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাঁদরে মোড়ানো থাকবে রাজধানীর সবগুলো পশুর হাট।
রাজধানীর প্রায় সব হাটেই কোরবানির পশু উঠেছে। গরুভর্তি ট্রাক হাটে ঢুকছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়ন্ত্রণকক্ষ ও ওয়াচ টাওয়ারে অবস্থান করছেন। কোরবানির পশু কিনতে হাটে আসছেন ক্রেতারা।
ইজারাদাররা জানান, হাটে গরু এসে গেছে। ক্রেতারাও হাট ঘুরে দেখছেন। বুধবার দুপুর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেনাবেচা শুরু হয়।
আরো পড়ুন: দায় মেটানো ওষুধ ছিটানোর প্রয়োজন নেই: ওবায়দুল কাদের
জানা গেছে, যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হাটগুলোতে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা, পুলিশের কন্ট্রোল রুম ও ওয়াচ টাওয়ার। এছাড়া হাট কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাসেবীরাও রাতদিন কাজ করছেন। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতনার জন্য মাইকিংও করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ডিএনসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেন, এরই মধ্যে অনেক ব্যবসায়ী হাটে গরু নিয়ে এসেছেন। হাট নিয়ে যেকোনো অনিয়ম ঠেকাতে প্রত্যেক অঞ্চলের প্রধান আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রধান করে পর্যবেক্ষণ কমিটি করে দেওয়া আছে। কোনো অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায় বলেন, ‘পশুর হাটের চাঁদাবাজি ও এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে যাতে সংঘর্ষ না হতে পারে তার জন্য পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশ কাজ করছে। হাটগুলোতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। আমাদের টার্গেট, যে কোন উপায়ে কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দমন করা। যাতে ক্রেতা-বিক্রেতা নিশ্চিন্তায় পশু কেনাবেচা করতে পারেন।’
ইত্তেফাক/বিএএফ