প্রচ্ছদ তারকা
দেশের টানে
জন্ম ও বেড়ে ওঠা রাশিয়ায়। তবে প্রবাস জীবন তাঁর ভালো লাগেনি। এর কারণ বাবা-মা। পরিবার তাঁকে বাঙালি হিসেবেই বড় করতে চেয়েছে। ভেতরেও তাই লালিত হয়েছে বাংলাদেশ। তাই পারিবারিকভাবেও ভেতরের স্বত্বায় বুকে পুষেছেন বাংলাদেশকে। রাশিয়ান কোনো ড্যান্স রিয়েলিটি শোতে নিজের পরিচয় লিখেছেন বাংলাদেশি। এর পরবর্তীতে ভারতীয় একটি ড্যান্স রিয়েলিটি শোতেও বাংলাদেশি প্রতিযোগী হিসেবে প্রথম নজর কাড়েন এই দেশের মিডিয়ার। পারফর্ম করেছেন মাধুরীর সঙ্গে। এত কিছুর পরও শেকড়েই ফিরতে চেয়েছেন রিদি শেখ। নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে বাংলাদেশে কাজ করছেন এখন তিনি। দারুণ মেধাদীপ্ত এই তরুণী এদেশের মূলধারার ইন্ডাস্ট্রিতে পরে এলেও প্রথমে নিজের ইউটিউব চ্যানেল দিয়েই নজর কাড়েন। মূলত নিজের এই ডিজিটাল প্লাটফর্মই রিদি শেখকে বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে। এর পরবর্তীতে দেশীয় গণমাধ্যম যখন রিদি শেখকে গ্রহণ করতে শুরু করে ততদিনে এদেশের বেশকিছু জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিওতে মডেল ও ড্যান্স কোরিওগ্রাফার হিসেবে তিনি তারকা। যদিও সনাতনী ধারার নৃত্যশিল্পীদের ভেতরে রিদি শেখকে মানা না মানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তবুও রিদি তাঁর নিজস্ব ছন্দেই একটু একটু করে এগুচ্ছেন। একইসঙ্গে এই সময়ের তরুণ দর্শক বা এই সময়ের নির্মাতা কিংবা এখনকার গানের নতুন ধারার উপস্থাপনার ক্ষেত্রে রিদি শেখ অনবদ্য একটি নাম। আগামীতে নিজের একটি ড্যান্স স্কুল শুরু করতে চান। তবে আমাদের কমার্শিয়াল সিনেমার ড্যান্স কোরিওগ্রাফিতে রিদি শেখের নতুন আইডিয়ার কোরিওগ্রাফি নতুন একটা মাত্রা যোগ করবে বলে অনেকেই আশা প্রকাশ করেন। মাত্র ২ বছর হলো তাঁর বাংলাদেশে ক্যারিয়ার। এত অল্প সময়ে নিজেকে মেলে ধরার সাফল্যটাও ঈর্ষণীয়।