রেজানুর রহমানের ঈদের নাটক

আসেন মিষ্টিমুখ করি

ঈদের আগের দিন

চ্যানেল:চ্যানেল আই

সময়:সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিট

নন্দিত নির্মাতা রেজানুর রহমান এবারের ঈদের জন্য নির্মাণ করেছেন নাটক ‘আসেন মিষ্টিমুখ করি’। সমসাময়িক ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেখা এই নাটকটিতে অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ, আহসান হাবীব নাসিম, মৌসুমী হামিদ, জিয়াউল হাসান কিসলু, রওনক বিশাকা শ্যামলী, মনি কানচন, মিন্টু সরদার, কাজী প্যারিস এবং শিশুশিল্পী মীম ও সুবাহ’সহ বিভিন্ন নাট্য সংগঠনের শতাধিক নাট্যকর্মী। নাটকের গল্পে দেখা যাবে, ধর্ষণ ও খুনের মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন শাহেদ শরীফ খান। সেই খুশিতে অফিসে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এই মিষ্টি খেতে গিয়ে অফিসেরই একজন কর্মকর্তা মকবুল হোসেন কেমন যেন অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। তাঁর কেন যেন মনে হয় এক একটা মিষ্টি এক একটা মাংশের টুকরো। মিষ্টি খেতে গিয়ে বমি করে ফেলেন তিনি। বাসায় ফিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দেন মকবুল। স্ট্যাটাসের ভাষা এ রকম ‘এ কোন দেশে বাস করি আমরা? ধর্ষক হয়ে উঠেছে রক্ষক। চাঞ্চল্যকর সুফিয়া হত্যা মামলার মূল আসামি শাহেদ শরীফ ধর্ষণ ও হত্যা মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন। অর্থের কাছে মানবতা পরাজিত হয়েছে। সব চেয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কের বিষয় এই যে, ধর্ষণ ও হত্যা মামলা থেকে ছাড়া পাওয়ার পর শাহেদ শরীফ তাঁর অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মিষ্টি খাইয়েছেন। মিষ্টি খেতে গিয়ে মনে হলো মিষ্টি নয়, হতভাগী সুফিয়ার খণ্ডিত দেহের নানা অংশ চিবিয়ে খাচ্ছি। ওয়াক থু।’

ঘটনাক্রমে মকবুলের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে ঝুমু স্কুল থেকে হারিয়ে যায়। গ্রাম থেকে মকবুলের আপন মামা ঢাকায় এসে মকবুলের বাসায় ওঠেন। তিনি এসেছেন ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আরেক আসামিকে জেল থেকে বের করে নেওয়ার নোংরা পথ খুঁজতে। ঘটনাচক্রে মকবুলেরই অফিসের বস শরীফের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ঘটে এবং ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আরেক এক আসামিকে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনার পথও খুঁজে বের করেন। নাটকটি চ্যানেল আইতে ঈদের আগের দিন সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে প্রচার হবে।