বিশেষ সাক্ষাৎকার

‘খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান— নেতৃত্বের এক স্বতন্ত্র ইমেজ’

প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও দেশের খ্যাতনামা পদার্থবিজ্ঞানী। জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর জাপান থেকে দুইটি পোস্টডক্টরাল সম্পন্ন করেন। দীর্ঘ সাত বছর ইতালির বিশ্ববিখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান আব্দুস সালাম ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরেটিক্যাল ফিজিক্স (আইসিটিপি)-এর অ্যাসোসিয়েট ছিলেন। সৌদি আরবের কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়েও দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন। তার প্রায় দেড়শত গবেষণা প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারিসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। সমকালীন বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়েও তাঁর রয়েছে গভীর আগ্রহ। রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ওপর লেখা তাঁর দুটি বই কোন দিকে যাচ্ছে দেশ (২০১৩) এবং জিয়া থেকে তারেক জিয়া- বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র (২০১৩)- এর মোড়ক উন্মোচন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ইত্তেফাক ডিজিটালের সঙ্গে বিশেষ আলাপচারিতায় হারুনর রশীদ খান কথা বলেছেন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি নিয়ে।

ইত্তেফাক: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শীর্ষ বিদ্যাপীঠ। এর সুনাম আরও বাড়ানো এবং বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে জায়গা করে নিতে কী করা প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?

হারুনর রশীদ খান: খুলনা অঞ্চলটি অপার সম্ভাবনাময়। এখানে উপকূলীয় এলাকা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক গবেষণার বিশাল ক্ষেত্র রয়েছে। এই বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে গবেষণার জন্য যদি সরকার জলবায়ু তহবিল থেকে পর্যাপ্ত অর্থায়ন করে, তাহলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। এছাড়া সম্প্রতি পাইকগাছায় যে নতুন ক্যাম্পাস পাওয়া গেছে, সেটিকে আমরা গবেষণাভিত্তিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। বিশেষ করে উপকূলীয় গবেষণাগুলো সেখানে পরিচালনা করা সম্ভব। তবে একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো জায়গার সংকট। আমরা অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণের চেষ্টা করছি। যদি সরকার এ বিষয়ে সহযোগিতা করে, তাহলে গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং দেশ-বিদেশে আরও উন্নত হবে।

ইত্তেফাক: সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা কী এবং ভবিষ্যতে কীভাবে তা আরও জোরদার করা যায়?

হারুনর রশীদ খান: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমরা যে অর্থায়ন পাই, তা মূলত দেশের সাধারণ মানুষের করের টাকা। তাই শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর সমাজের প্রতি একটি দায়িত্ব থেকে যায়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক কম খরচে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে। ফলে তাদের উচিত সমাজের কল্যাণে কাজ করা। গবেষণার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের সমস্যার সমাধান।

ইত্তেফাক: অতীতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রাজননৈতিক লেজুড়বৃত্তিতা দেখা গেছে। এটি কি শিক্ষার পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

হারুনর রশীদ খান: শিক্ষক রাজনীতি বা পেশাজীবীদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নতুন কিছু নয়, এটি দীর্ঘদিনের একটি প্রবণতা। রাজনৈতিক সচেতনতা থাকা ভালো, তবে পেশাগত দায়িত্বের বাইরে গিয়ে দলীয় বিভাজনে জড়িয়ে পড়া ঠিক নয়। শিক্ষক, চিকিৎসক বা শিল্পীরা মূলত সবার জন্য। তাদের পেশাগত নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি। অতিরিক্ত দলীয় বিভক্তি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক সচেতনতা থাকা প্রয়োজন।

ইত্তেফাক: আপনি বাংলাদেশের আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে বই লিখেছেন। তিনি আজ প্রয়াত। রাজনীতিতে খালেদা জিয়াকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

হারুনর রশীদ খান: খালেদা জিয়াকে শুধু একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখলে তাঁকে সম্পূর্ণ বোঝা যাবে না। তিনি একটি সময়ের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতিসহ প্রায় সকল সেক্টরে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ধারা সূচনা করেন। জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড দেশের রাজনীতিতে একটা বড় শূন্যতা সৃষ্টি করে। এমন একটা কঠিন সময়ে হাল ধরেন বেগম জিয়া। রাজনীতির বাইরে থাকা খালেদা জিয়া দেশের রাজনীতিতে অপরিহার্য হয়ে উঠেন। দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় তিনি যে অভাবনীয় ত্যাগ স্বীকার করেছেন, দেশে তো বটেই বিশ্ব রাজনৈতিক ইতিহাসে তা বিরল। নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন। রাজনীতিতে ওই সময়ে টিকে থাকা সহজ ছিল না। দমন-পীড়ন ছিল, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ছিল। এইসব পরিস্থিতিতেও তিনি দলকে সংগঠিত রেখেছেন। বেগম জিয়ার বড় শক্তি ছিল-দৃঢ়তা। তাঁর আপসহীতার জন্য বাংলাদেশ বারবার গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে পেরেছে। এত কিছুর মধ্যেও তিনি মাঠের রাজনীতিকে গুরুত্ব দেন। তৃণমূলের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রেখেছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের হরণ করা ভোটের অধিকার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে তিনি সবচেয়ে বেশি নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে তাঁর ধারাবাহিক ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ইত্তেফাক: তাঁর নেতৃত্বের কোন বৈশিষ্ট্যগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন?

হারুনর রশীদ খান: তিনি ছিলেন আপসহীন। সংগঠন ধরে রাখার সক্ষমতা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থাকার রাজনৈতিক দৃঢ়তার জন্য ইতিহাস তাঁকে অমর করে রাখবে। তিনি শুধু নির্বাচন করেননি, বরং এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়েছিলেন, যেখানে দল, আন্দোলন এবং নেতৃত্ব একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত ছিল।

ইত্তেফাক: খালেদা জিয়ার উত্তরসূরী হিসেবে তারেক রহমানকে কীভাবে দেখেন ?

হারুনর রশীদ খান: তারেক রহমান খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী। মায়ের হাত ধরে তিনি রাজনীতি শিখেছেন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনে জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শের প্রতিফলন রয়েছে। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সময়কালে দলের সাংগঠনিক কাজে সক্রিয় ছিলেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক জীবন সহজ নয়। তিনি কারাবরণ করেছেন, বিচারবহির্ভূত ভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর নির্বাসনে থেকেছেন। এই অভিজ্ঞতা তাঁকে একটি ভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক বাস্তবতা দিয়েছে, যা খালেদা জিয়ার সময়ের চেয়ে আলাদা। আমার মনে হয়, আজ আমরা যে তারেক রহমানকে দেখছি, যিনি রাজনৈতিকভাবে পরিণত, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিচক্ষণতার পরিচয় দিচ্ছেন, এবং জীবন-যাপনে সাধারণ-তা মূলত তাঁর সামগ্রিক রাজনৈতিক জীবনের সমাষ্টিক ফল। রাজনৈতিক নেতৃত্বে তিনি একটি স্বতন্ত্র ইমেজ তৈরি করতে পেরেছেন। তিনি দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থেকেও সফলভাবে দল পরিচালনা করেছেন। দেশ বিনির্মাণে একটি বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গড়ে তুলেছেন, যা তাঁর প্রদত্ত ৩১ দফাতে প্রতিফলিত হয়েছে।

ইত্তেফাক: ২৪-এর আন্দোলন ও বিএনপির ভূমিকাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

হারুনর রশীদ খান: এখানে একটি ধারাবাহিকতা আছে। অনেকে মনে করেন আন্দোলন হঠাৎ করে হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এর পেছনে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চিন্তা ও ত্যাগ ছিল। বিএনপি আগে থেকেই রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলছিল। ৩১-দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি বেশ আগে থেকে দিয়েছে। এই ৩১ দফাতে রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যেসব পরিকল্পনা, পরে সেগুলোই দাবি আকারে আন্দোলনের কেন্দ্রে আসে। জুলাই সনদ-এ আমরা সেই চিন্তার প্রতিফলন দেখি।

ইত্তেফাক: বিএনপি এবারের নির্বাচনে ভূমিধ্বস জয় পেল। এতে তরুণ ভোটারদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। আপনার মতে, তরুণেরা বিএনপিকে কেন বেছে নিয়েছে?

হারুনর রশীদ খান: আমি মনে করি, তরুণ প্রজন্ম পরিবর্তন চায়। ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের পর তারা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর রাজনৈতিক বিকল্প খুঁজছিল। নতুন গঠিত তরুণভিত্তিক দলগুলো সেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের সংগঠন, অভিজ্ঞতা ও স্পষ্ট নীতির ঘাটতি ছিল। অন্যদিকে, বিএনপি প্রতিষ্ঠিত ও সুসংগঠিত রাজনৈতিক শক্তি। তরুণেরা আবেগ নয়, বাস্তব সক্ষমতা বিবেচনা করেছে। তারা বিচার করেছে, কে দেশকে নেতৃত্ব দিতে পারবে, কে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারবে। এই জায়গায় বিএনপি স্পষ্টত এগিয়ে। তাছাড়া, তরুণদের বড় অংশ বেকারত্বের সঙ্গে লড়ছে। তারা চায় দক্ষতার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান। তাদের প্রয়োজন অর্থনৈতিক মুক্তি। বিএনপি এটা অনুধাবণ করতে পেরেছে। তারা ইশতেহারে আইসিটি খাতে চাকরি সৃষ্টি, স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও অর্থনৈতিক সংস্কারের মতো বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।

ইত্তেফাক: এই জয়ের পর বিএনপির সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?

হারুনর রশীদ খান: আমাদের দেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের সরকারের কাছে জনগণের অনেক প্রত্যাশা থাকে। একদিকে আমাদের সম্পদ সীমিত, অন্যদিকে বিপুল জনগোষ্ঠীর চাহিদার চাপ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি ও অর্থপাচারের প্রভাব। এই প্রেক্ষাপটে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আমি এখানে আশার আলো দেখি। সরকার ইতিমধ্যে কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কথাই বলি। সাধারণ দৃষ্টিতে এটা একটা পরিবারকে অল্পকিছু অর্থ সহায়তা মনে হতে পরে। তবে এটা মূলত সম্পদের পুনর্বণ্টনের একটি সুচিন্তিত পরিকল্পনা। এর মাধ্যমে অর্থ সরাসরি নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। তাদরে ক্রয় ক্ষমতা বাড়বে, জীবনযাত্রায় স্বস্তি আনবে। অর্থনৈতিক বৈষম্য কমবে। এছাড়া, খাল খননের মতো পরিকল্পনাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে কৃষিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, অন্যদিকে শ্রমনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ফলে অর্থনীতির প্রবাহ ধীরে ধীরে নিম্নআয়ের মানুষের দিকে যেতে থাকবে। দেশের অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী হবে।

ইত্তেফাক: বেতন কাঠামো, মর্যাদা ও পেশাগত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি আছে। এসব নিয়ে বর্তমান সরকারের উদ্যোগগুলো কীভাবে দেখছেন?

হারুনর রশীদ খান: আমি মনে করি, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা শুধু পেশাগত দাবি নয়, বরং সরাসরি শিক্ষার মানের সাথে যুক্ত। এই সরকার ক্ষমতা নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন পূর্বের ভূমিকা বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে নকল ও অনিয়ম দমনে কঠোর অবস্থানের জন্য ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। বর্তমানে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি শিক্ষা খাতে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন। জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ও শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও উচ্চতর প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর সরাসরি সংলাপ, শিক্ষা সংস্কারের সুদৃঢ় পরিকল্পনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ আমাদের আশান্বিত করে।

ইত্তেফাক: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

হারুনর রশীদ খান: আপনাকেও ধন্যবাদ।