গাইবান্ধায় ডেঙ্গু রোগী বৃদ্ধি পেয়ে ৫১

গাইবান্ধায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন গেলেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও সাতজন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে গাইবান্ধায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৫১ জনে।

তাদের মধ্যে বর্তমানে এক নারীসহ ২২ জন রোগী হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়া ৮ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। স্বেচ্ছায় ছাড়পত্র নিয়েছেন ১১ জন। ছাড়পত্র না নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪ জন। গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মাহাফুজুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ৬ জন রোগী ভর্তি হয়। কিন্তু সেখানে তাদের শারিরীক অবস্থা অবনতি হলে পরবর্তীতে বগুড়া মহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসাপাতালে পাঠানো হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মজিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাবাড়ী গ্রামের আশরাফুল ইসলামের মেয়ে তিন বছরের শিশু কন্যা রিয়ানা খাতুন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার মারা যায়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের মুখপাত্র ডা. সাইদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গাইবান্ধার সিভিল সার্জন এবিএম আবু হানিফ জানান, আক্রান্তরা সবাই ঢাকা থেকে এই জীবাণু গাইবান্ধায় নিয়ে এসেছে। এদের মধ্যে কেউ ঢাকায় চাকরি করেন, আবার কেউ লোখাপড়া করেন, আবার কেউ ঢাকা বেড়াতে কিংবা কাজে গিয়ে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গাইবান্ধায় ফিরে আসেন। 

আরও পড়ুন: দেওয়ানগঞ্জে যমুনায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ৬, ২২ জনকে জীবিত উদ্ধার

গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির গাইবান্ধায় এডিস মশার অস্তিত্ব নেই জানিয়ে বলেন, আমরা এখানে এডিস মশার অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি।' তিনি আরও জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে শহরের বিভিন্ন রাস্তাঘাট, নর্দমা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা চালানো হচ্ছে।

ইত্তেফাক/নূহু