পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে একটা চরম হতাশা কাজ করছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক।
শুক্রবার (৫ জুন) সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমরা শুধুই শুনছি যে পে স্কেল হচ্ছে। কিন্তু আদৌ পে স্কেল হবে কিনা সরকার থেকে কোনো নির্ভরযোগ্য বা কোনো নীতিনির্ধারক মন্ত্রী বা অর্থসচিব বা এই লেভেলের কেউ, এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আসেনি। কর্মচারীদের মধ্যে একটা চরম হতাশা কাজ করছে যে, আসলেই আমরা ৫০ শতাংশ পাব নাকি ১০০ শতাংশ পাব? যদিও সরকার থেকে আমরা কোনো আপডেট জানি না।
তিনি বলেন, আমরা বারবার দাবি করে আসছিলাম- অন্তত বাজেট শুরু হওয়ার আগে সরকারের পক্ষ থেকে একটা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আমাদের মধ্যে আসে যে পে স্কেলটা হচ্ছে। তাহলে কর্মচারীদের মধ্যে যে হতাশা বিরাজ করছে, সেটা আসলে থাকত না। আমরা আশা করি, সরকার এগুলো চিন্তাভাবনা করেই পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগুবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর পে স্কেল কোনো ধাপে চাচ্ছেন না। একবারেই সব দেওয়া হোক। এতে হয়তো কষ্ট হবে। কিন্তু এটার ওপরে ভিত্তি করে বারবার অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধি করার সুযোগ পাবে না। কর্মচারীরা লাভবান হবে।
তিনি বলেন, হয়তো আমরা এটা বলতে পারি যে দেশের উন্নয়ন তো প্রতিবছর হচ্ছে। বাজেটও কিন্তু প্রতিবছর হবে। কিন্তু পে স্কেল তো প্রতিবছর হবে না। পে স্কেল তো একবারেই হবে। এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে অন্য একটা দিক কাটছাঁট করে বরাদ্দটা বাড়ালে কর্মচারী অঙ্গন সরকারের প্রতি আরও বিশ্বস্ত হবে এবং নির্ভরশীল হবে, এটা আমাদের ধারণা।