বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে, আর সেই লড়াইয়ে সময়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। ব্রাজিলের তারকা ফুটবলারের চোট সারাতে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে নাসার প্রযুক্তি থেকে তৈরি বিশেষ এক যন্ত্র, যা তার বিশ্বকাপ খেলার আশা আরো উজ্জ্বল করে তুলেছে।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এসপোর্তে-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডান পায়ের কাফ ইনজুরি থেকে দ্রুত সেরে উঠতে নাসার প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রাণিত একটি বিশেষ অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি ট্রেডমিল ব্যবহার করছেন নেইমার।
শনিবার (৬ জুন) এই বিশেষ যন্ত্রে অনুশীলন করেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলার। ট্রেডমিলটির বিশেষত্ব হলো, এটি শরীরের ওজনের একটি অংশ কমিয়ে দেয়। ফলে ইনজুরিগ্রস্ত স্থানে কম চাপ পড়ে এবং খেলোয়াড় স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম ঝুঁকিতে দৌড়াতে পারেন।
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের বিভিন্ন ক্রীড়াবিদ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছেন। ইতিমধ্যে ব্রাজিলের কয়েকটি ক্লাবও নিজেদের মেডিক্যাল সুবিধার অংশ হিসেবে এটি যুক্ত করেছে।
নেইমারের শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ মূল্যায়নের জন্য সোমবার (৮ জুন) নতুন করে ইমেজিং পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করবে তার পরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা।
যদি মেডিক্যাল টিম তাকে সবুজসংকেত দেয়, তাহলে তিনি দলের সঙ্গে শারীরিক অনুশীলনে ফিরবেন। এরপর ধীরে ধীরে বল নিয়ে অনুশীলন শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে, তবে সেটি নির্ভর করবে তার উন্নতির গতির ওপর।
ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি আগেই জানিয়েছিলেন, নেইমারের অবস্থা নিয়ে তারা আশাবাদী। যদিও বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার খেলা এখনো নিশ্চিত নয়, তবু সেলেসাও শিবিরের বিশ্বাস, দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকা সময়মতো সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন।
আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল।
সেই ম্যাচের আগে নেইমারের ফিটনেস নিয়ে পুরো ফুটবল বিশ্বের নজর এখন ব্রাজিল দলের মেডিকেল রিপোর্টের দিকে।