জেন-জির পছন্দের নতুন সোশ্যাল দুনিয়া

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টদের অ্যালগরিদম আর লাইক-ভিউর ইঁদুরদৌড়ে মত্ত দুনিয়া। তবে সেখান থেকে মুক্তি পেতে জেন-জি তরুণেরা এখন খুঁজছেন ছোট ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যম। নিজেদের পছন্দ ও গোপনীয়তাকে প্রাধান্য দিয়ে তারা কিছু বিকল্প অ্যাপ বেছে নিচ্ছেন।

ছবি ও স্মৃতি: সাধারণের ভিড়ে না হারিয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে ছবি ও দৈনন্দিন মুহূর্ত শেয়ার করতে তারা ব্যবহার করছেন ‘রেট্রো’ এবং সরাসরি হোম স্ক্রিনে ছবি দেখানোর উইজেট অ্যাপ ‘লকেট’।

রুচি ও ফ্যাশন: পিন্টারেস্টের এআই-নির্ভর কনটেন্ট এড়াতে নান্দনিক অনুপ্রেরণার জন্য কসমস এবং কেনাকাটাকে সামাজিক রূপ দিতে ‘দ্য মল’ তাদের দারুণ পছন্দ।

ভিডিও ও টেক্সট: টুইটার বা ‘এক্স’-এর বিকল্প হিসেবে ব্লুস্কাই ও ম্যাস্টোডন। দুটোই একসঙ্গে চালাতে তাঁরা বেছে নিয়েছেন ‘ইন্ডিগো’। আর পুরোনো ‘ভিন’-এর স্বাদ পেতে ৬ সেকেন্ডের ভিডিও অ্যাপ ‘ডিভাইন’ বেশ জনপ্রিয় তাঁদের কাছে।

শখ ও লাইফস্টাইল: পছন্দের জায়গাগুলোর সামাজিক মানচিত্র বা ম্যাপ তৈরিতে তরুণেরা ঝুঁকছেন ‘কর্নার’-এর দিকে। এ ছাড়া গান শেয়ার করার জন্য ‘এয়ারবাডস’, বই পড়ার ক্লাব হিসেবে ‘ফ্যাবল’ এবং নিজের ভালো লাগার ডিজিটাল ডায়েরি হিসেবে ‘শেলফ’ ব্যবহৃত হচ্ছে।

যোগাযোগের নেটওয়ার্ক: ব্যক্তিগত ও পেশাদার যোগাযোগের খবরাখবর এক জায়গায় ট্র্যাক করতে তারা সাহায্য নিচ্ছেন ‘মেশ’ অ্যাপের।

মূলত কৃত্রিম জনপ্রিয়তার পেছনে না ছুটে একটি নিরাপদ ও সমমনা কমিউনিটি গড়ে তুলতেই তরুণ প্রজন্ম এখন এই স্বাধীন অ্যাপগুলোর দিকে ঝুঁকছেন।