মেসি এখন কম দৌঁড়ান কেন, জানলে অবাক হবেন

৩৯ ছুঁই ছুঁই বয়সে দাঁড়িয়ে লিওনলে মেসি। ফুটবলে যা কিছু অর্জন সম্ভব, তার প্রায় সবই নিজের করে নিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। তার নামের পাশে আছে আটটি ব্যালন ডি’অর। কাতার বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নিজের ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দিয়েছেন মেসি। 

তবুও থামেনি আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার। বয়সের ভারে শরীর আগের মতো সাড়া না দিলেও বুদ্ধি দিয়ে ঠিকই মাঠ মাতাচ্ছেন মেসি। আগের মতো মাঠে আর দৌঁড়ান না তিনি। বর্তমানে অনেকটা হেঁটে হেঁটেই ফুটবল খেলেন এলএমটেন।

মেসি এখন দলের ‘কোয়ার্টারব্যাক’, অনেকটা আমেরিকান ফুটবলের মতো। তিনি নিজে সবকিছু করেন না, কিন্তু কে কোথায় যাবে, কখন পাস দিতে হবে, কখন দৌঁড়াতে হবে সব সিদ্ধান্ত যেন তার মাথাতেই তৈরি হয়। মাঠে মেসি এখন খুব একটা দৌঁড়ান না। কিন্তু বল যখনই তার পায়ে আসে, তখন মনে হয় আর্জেন্টিনার অধিনায়ক বাকি সবার চেয়ে অন্তত তিন সেকেন্ড আগে সবকিছু দেখতে পাচ্ছেন।

যখন মেসি হাঁটেন, তখন আসলে তার মাথাই সবচেয়ে বেশি কাজ করে। প্রতিপক্ষ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, দলের কাঠামো কেমন, মার্কার থেকে কীভাবে সরে যাওয়া যায় এসব তিনি সেই মুহূর্তে বিশ্লেষণ করেন। আর যখন বল তার কাছে ফিরে আসে, তখন তিনি থাকেন ঠিক সেই জায়গায়, যেখান থেকে আক্রমণ শুরু করা যায়।

বয়সের ভাড়ে মেসি বুড়ো হয়ে গেছেন। আসলে তিনি আরও চতুর হয়ে গেছেন। শক্তি জমিয়ে রাখেন, সঠিক মুহূর্তে ব্যবহার করেন। এটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এটাই একজন মাস্টারের পরিচয়।

এখনও আর্জেন্টিনা দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি। এবারের বিশ্বকাপেও আক্রমণভাগের নেতৃত্বে থাকবেন তিনি। মেসিকে সহযোগিতা করবেন হুলিয়ান আলভারেজ ও থিয়াগো আলমাদা। ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী স্কোয়াডের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ খেলোয়াড় এবারও দলে আছেন। তবে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন কয়েকজন সম্ভাবনাময় তরুণ ফুটবলার। তাদের মধ্যে অন্যতম নিকো পাস, যিনি দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। আছেন লাওতারো মার্তিনেসের মতো প্রতিষ্ঠিত তারকাও।