ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবারের বিশ্বকাপ খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা। এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলের মধ্যে ‘ক্লিন শিট’ (গোল হজম না করা) ধরে রাখার হারে সেরা আলবিসেলেস্তেরা।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো স্পোর্তের অফিশিয়াল পরিসংখ্যানভিত্তিক মাসকট ‘গাতো মেস্ত্রে’ ২০২৩ সাল থেকে এ হিসাব করেছে। এই চক্রে ৩৯ ম্যাচ খেলে ২৮ ম্যাচেই (৭১.৮ শতাংশ সফলতা) কোনো গোল হজম করেনি আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া আর কোনো দল এ সময়ে শতকরা হারে এত বেশি ম্যাচে ‘ক্লিন শিট’ ধরে রাখতে পারেনি।
শুধু ‘ক্লিন শিট’ নয়, ২০২৩ সাল থেকে হিসাব করলে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে এই সময়ে সেরা রক্ষণভাগও আর্জেন্টিনার। ৩৯ ম্যাচে মাত্র ১৪ গোল হজম করেছে স্কালোনির দল। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলের মধ্যে এ সময়ে এটাই সবচেয়ে কম গোল হজম।
এ তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে আছে মরক্কো। তার মধ্যে ৬৩.৮ শতাংশ ম্যাচে গোল হজম করেনি। শীর্ষ পাঁচে বাকি তিন দল—সেনেগাল (৫৯%), জাপান (৫৫.৮%) ও ডিআর কঙ্গো (৫৫.৬%)।
মরক্কো ‘ক্লিন শট’ ধরে রাখায়ও দারুণ করেছে। এ চক্রে ৩৭ ম্যাচে তারা কোনো গোল হজম করেনি। কিন্তু আর্জেন্টিনার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলায় সফলতার শতকরা হারে পিছিয়ে আশরাফ হাকিমিরা। ২০২৩ সাল থেকে ৫৮টি ম্যাচ খেলেছে মরক্কো।
অন্যদিকে, পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এই চক্রে ২৯.৭ শতাংশ ম্যাচে ‘ক্লিন শিট’ ধরে রাখতে পেরেছে। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের মধ্যে এ সময়ে ‘ক্লিন শিট’ ধরে রাখার তালিকায় ৪৩তম ব্রাজিল। ২০২২ বিশ্বকাপের পর থেকে এ পর্যন্ত ৪২ গোল (ম্যাচপ্রতি ১.১৭টি) হজম করেছে ব্রাজিল। ৩৭ ম্যাচের মাত্র ১১টিতে ক্লিন শট ধরে রাখতে পেরেছে তারা। ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে নিজেদের সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচেই গোল হজম করেছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।