সোনা ও স্বর্ণালংকার কেনাবেচায় ভোক্তাদের ব্যয় কমাতে ভ্যাট ব্যবস্থায় পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে মোট বিক্রয়মূল্যের ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট প্রত্যাহার করা হবে। এর পরিবর্তে ভরিপ্রতি নির্দিষ্ট হারে ৫ হাজার টাকা ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে সোনার গহনা কিনতে খরচ কমবে।
বৃহস্পতিবার বিকালে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে সকালে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে বাজেট ঘাটতি দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
এই ঘাটতি পূরণে সরকার বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে। বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে দেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।