প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিগুলো তুলে ধরা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সফরে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ উপলক্ষে কক্সবাজারবাসীর মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।

শুক্রবার (১২ জুন) কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার বাস টার্মিনাল এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম তিনি কক্সবাজারে আসছেন। নির্বাচনের আগে তিনি আসতে পারেননি। তাই জেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। এ অঞ্চলের মানুষ তাকে সরাসরি দেখবেন, তার বক্তব্য শুনবেন। এটিই আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারবাসীর পক্ষ থেকে কোনো ব্যক্তিগত বা স্থানীয় দাবি উত্থাপন করা হবে না। তবে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হবে। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা এবং কক্সবাজারে একটি ব্লু ইকোনমি ও মেরিন সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এসব দাবি প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মাতামুহুরী নামে নতুন উপজেলা সৃষ্টির প্রস্তাব জাতীয় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির (নিকার) সভায় অনুমোদন পেয়েছে। সেখানে একটি থানা প্রতিষ্ঠারও উদ্যোগ নেয়া হবে।’
 
তিনি আরও জানান, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত পেকুয়া উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি পৌরসভা প্রতিষ্ঠা। সেই দাবিও অনুমোদন পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে মাতামুহুরী উপজেলা ও থানা প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।
 
সফরসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী একটি জনসভায় ভাষণ দেবেন বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সেখানে আমরা আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা তার কাছে তুলে ধরব। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হবে।’