নতুন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি সুখকর হলো না বাংলাদেশের জন্য। ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে ১৩১ রানে অলআউট হওয়ার পর বোলাররা লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজিত হয়েছে স্বাগতিকরা। সফরকারীরা ১০ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলের দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। এরপর অধিনায়ক হৃদয়, সৌম্য সরকার, ইমন ও শামীম পাটোয়ারী—কেউই ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন।
এক পর্যায়ে ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন ১০০ রানের নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল, তখন শেখ মেহেদী হাসানের অপরাজিত ২৯ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস দলীয় সংগ্রহকে ১৩১ পর্যন্ত নিয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে অ্যাডাম জাম্পা তিনটি উইকেট শিকারের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন। সমান তিনটি উইকেট নেন জুয়েল ডেভিস।
১৩২ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া শুরুতেই জশ ইংলিস ও মিচেল মার্শকে হারালেও, কুপার কনোলির ২৭ বলে ৪৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস জয় সহজ করে দেয়। বাংলাদেশের হয়ে অভিষিক্ত সাকলাইন দুটি এবং শরিফুল, মোস্তাফিজ, শেখ মেহেদী ও রিশাদ একটি করে উইকেট পান। শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই হারের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ।