অবিশ্বাস্য প্রতিরোধে বেলজিয়ামকে আটকে দিলো ইরান 

বল দখল ও একের পর আক্রমণ করে করেছে বেলজিয়াম। তবে দুর্দান্ত প্রতিরোধে ডি ব্রুইনা-লুকাকুদের গোল বঞ্চিত করেছে ইরান। বেলজিয়ামের জালে বলম একবার জড়িয়েছিলেন মেহদি তারেমি। তবে ভিএআরে তা বাতিল হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছেড়েছে দু'দল। 

ম্যাচে ২৩টি শট নিয়ে ৭টিই লক্ষ্যে রেখেছিল বেলজিয়াম। কিন্তু কোনোটিই ইরানের রক্ষণ ও গোলরক্ষ আলীরেজা বেইরানভান্দকে ফাঁকি দিয়ে জালে প্রবেশ করতে পারেনি। বেইরানভান্দ একাই ৭টি সেভ করেছেন। 

সোমবার (২২ জুন) লস অ্যাঞ্জেলসে বিশ্বকাপের ‘জি’ গ্রুপে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বেলজিয়াম। কেভিন ডি ব্রুইনা, রোমেলু লুকাকু, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড ও ম্যাক্সিম ডি কুইপারের সমন্বয়ে একের পর এক আক্রমণে ইরানের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে তারা।

ম্যাচ শুরুর মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় ইরানের ডিফেন্ডারকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখে বসেন বেলজিয়ান তারকা স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু। বেলজিয়ামের আক্রমণ সামলে নিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে মনোযোগ দেয় ইরান।

 

ম্যাচের ২৫তম মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ফি কিক থেকে এহসান হাজসাফির বাড়ানো পাস ধরে বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন ইরানি ফরোয়ার্ড মেহেদি তারেমি। ভিএআর-এর মাধ্যমে অফসাইডের সিদ্ধান্ত জানান রেফারি।

ম্যাচের ৩২ মিনিটে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ইরানের সাঈদ এজাতোলাহি। শেষ পর্যন্ত কোনো দলই গোল আদায় না করেই বিরতিতে যায়।

বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৬৬ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বেলজিয়াম। বেলজিয়ান ডিফেন্ডার নাথান এনগয় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু আক্রমণ করলেও গোল পায়নি ইরানও। শেষ ড্র মেনে নিয়েই মাঠ ছাড়ে দু'দল।