এলেন, বললেন, জয় করলেন শিশুদের মন৷ প্রোটোকল ভেঙে স্বাধীনতার আনন্দে মাতলেন প্রধানমন্ত্রী, তার সঙ্গে একদল খুদে শিক্ষার্থী। ৭৩তম স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লার মঞ্চ থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি হয়ে উঠলেন ‘কাছের মানুষ’৷ পতাকা উত্তোলনের পর ভাষণ দিলেন এবং আরও এক বিশেষ কৌশলে মন জয় করে নিলেন লালকেল্লা চত্বরে উপস্থিত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের৷
বৃহস্পতিবার সকালে লালকেল্লা চত্বরে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষ। কারণ, প্রধানমন্ত্রী যে তাদেরই সেই আনন্দে সামিল হতে তাদের মাঝেই পৌঁছে গিয়েছেন একেবারে ‘আম জনতা’ রূপে। জনতার দরবারে মোদি একেবারে হয়ে উঠলেন আরও কাছের মানুষ।
বৃহস্পতিবার, জাতির উদ্দেশে ভাষণ শেষ হতেই জনগণের মাঝে চলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আবহে গা ভাসানোর এহেন অভিজ্ঞতা হয়তো উপস্থিত থাকা খুদেদের মধ্যে কারও জন্যে প্রথমবার। তবে তার সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু গোটা দেশও আজ সাক্ষী রইল এক বিরল ঘটনার। প্রধানমন্ত্রী প্রোটোকল ভেঙে জনতার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী। তবে জনতা বলতে ‘ছাত্রছাত্রী’। গেরুয়া, সাদা, সবুজ ম্যাচিং পোশাকে সেজে আসা খুদেদের দলে উপস্থিত কেউ বা প্রধানমন্ত্রীর দিকে হাত বাড়িয়ে দিল স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বিনিময় সৌজন্যে। আবার কেউ বা প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে হাত বাড়াল দেশচালনের মূল কাণ্ডারীকে মুহূর্তের জন্য ছুয়ে দেখতে। উপস্থিত হাজার হাজার শিশুর সঙ্গে করমর্দন করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। মিলল স্বাধীনতা দিবসের স্বাদ।
ইত্তেফাক/ইউবি