দৈনিক ইত্তেফাক-এ ‘এক হাতেই দোকান, হুইলচেয়ারেই সংগ্রামের পথচলা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশের পর জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া অদম্য তরুণ আরমানের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মিস ফরিদা খানম।
সংবাদটি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে প্রতিনিধিরা আরমানের সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
সেই আমন্ত্রণে নিজের ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হন আরমান। সেখানে জেলা প্রশাসক তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মনোযোগ দিয়ে তার পরিবারের অভাব-অনটন ও চিকিৎসার সংকটের কথা শোনেন। পরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আরমানের হাতে ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি।
শুধু সাময়িক সহায়তাই নয়। আরমানের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি আরমান যদি স্থায়ী দোকান করতে চায় তাহলে তার জীবিকার স্থায়ী সমাধানে একটি দোকানঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান জেলা প্রশাসক।
অপ্রত্যাশিত এই সহযোগিতায় আবেগাপ্লুত আরমান। তিনি জানান, অর্থাভাবে এতদিন চিকিৎসা করাতে পারেননি। জেলা প্রশাসকের এই সহায়তায় এবার চিকিৎসা শুরু করার আশা দেখছেন তিনি। একই সঙ্গে স্থায়ীভাবে দোকানের ব্যবস্থা হলে পরিবারের দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালন করতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।
অভাব আর শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে দীর্ঘদিনের লড়াইয়ে এবার যুক্ত হলো নতুন আশার আলো। একটি সংবাদ পৌঁছে দিয়েছে সহায়তার হাত, আর সেই হাত ধরেই নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন আরমান। এখন অপেক্ষা চিকিৎসা সম্পন্ন করে নিজের পায়ে নয়, নিজের স্বাবলম্বিতায় দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর।