শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার মেধা, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতা দিয়ে একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক সংগ্রামকে ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার মাধ্যমে সশস্ত্র যুদ্ধে রূপান্তর করেছিলেন। আর এটাই ছিল স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান উপাদান বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বুধবার (২২ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আয়োজিত ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী’- শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, পরবর্তী কালে এই ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের মানুষের যে পরিচয় সেটা ভাষার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়ছিল অনেকে মনে করলেও পরবর্তীতে মানবেন্দ্র লারমা নামক একজন অবাঙালির প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে এটা বুঝা গেলো যে ৭১' এ আমরা ভাষার মাধ্যমে পুরোপুরি জাতির পরিচয় নির্ধারিত হয়নি।
এমনই এক পরিস্থিতিতে বাঙালিকে একত্রিত করার লক্ষ্যে ৭১ এর মেজর জিয়া ৭৫ এর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াতে পরিনত হলেন। তিনি আবারও বললেন, ‘আমি মেজর জিয়া বলছি, ক্যান্টনমেন্টে আবারও শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে মেজর জিয়া জাতির সংকটের সমাধান করেছিলেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তনের মাধ্যমে। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান তখন এই ভূখণ্ডের জন্য নাগরিকতার ভিত্তিতে সবাই বাংলাদেশি এই জাতীয়তাবাদী দর্শনকে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।
এতে করে এখানে অন্য কোনো ধর্ম,বর্ণের, গোত্রের মানুষের কোনো সমস্যা হচ্ছে না।আর এর মাধ্যমেই আমাদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করা সম্ভব। তিনি বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের মূল বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে সবাইকে নিয়ে এই ভূখণ্ডে একসাথে বসবাস করা।