রাজধানীর সার্বিক নাগরিক সেবার বাস্তব চিত্র স্বচক্ষে পরখ করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টনকে সাথে নিয়ে হঠাৎ পরিদর্শনে বের হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গভীর রাতে ডিএনসিসি প্রশাসককে পাশে বসিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর প্রধান সড়ক ও বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর সড়কগুলোর সার্বিক অবস্থা, গভীর রাতের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ফুটপাতের পরিস্থিতি, সড়কবাতির কার্যকারিতা, রাতের যান চলাচল এবং নগরসেবার সামগ্রিক চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে গাড়ি থামিয়ে দায়িত্বরত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য নেন এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। মূলত রাতের বেলায় রাজধানী ঢাকার নগর ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম বাস্তবে কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা সরাসরি প্রত্যক্ষ করতেই তাঁর এই আকস্মিক সফর।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নগরবাসীর দৈনন্দিন ভোগান্তি নিরসন এবং সেবার মান বহুগুণ বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শুরু থেকেই অত্যন্ত আন্তরিক। সে কারণেই কোনো আনুষ্ঠানিক পূর্বঘোষণা ছাড়াই গভীর রাতে মাঠপর্যায়ে নেমে পরিচ্ছন্নতা ও সেবা নিশ্চিতকরণে কোথায় কী ধরনের গাফিলতি বা সমস্যা রয়েছে, তা সরাসরি খতিয়ে দেখছেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগেও পবিত্র ঈদুল আজহার সময় ঠিক একইভাবে গভীর রাতে রাজধানী পরিদর্শনে বের হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে সময় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে চরম দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। অর্পিত দায়িত্ব পালনে গাফিলতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অবস্থানের স্পষ্ট বার্তা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সেই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।