নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি এবং এ বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যাশা তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির দাবি, দীর্ঘ ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার করলেও প্রজ্ঞাপন জারিতে বিলম্ব অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এবং সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম।

বিবৃতিতে নেতারা সরকারের নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এ পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তবে তারা বলেন, নতুন পে-স্কেল কার্যকরের প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে থাকায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সরকারি কর্মচারীরা বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন। অনেক প্রয়োজনীয় পণ্য এখন নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

তাদের ভাষ্য, পে-স্কেল বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা এবং বিভিন্ন গুজব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে তুলছে। এ কারণে দ্রুত নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করা জরুরি বলে তারা মনে করেন।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মাত্র দুই মিনিটের জন্য হলেও সাক্ষাতের সুযোগ চাওয়া হয়েছে। ওই সাক্ষাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ ১১ বছরের বঞ্চনা, বাস্তব জীবনসংগ্রাম, ন্যায্য প্রত্যাশা এবং নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন বিষয়ে সংগঠনের মতামত ও প্রস্তাব সরাসরি তুলে ধরতে চান তারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি হলে প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য প্রত্যাশা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।