জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় এবং আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আগামী বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। দর্শনার্থীদের অনলাইনে আগাম টিকিট সংগ্রহ করে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারবেন।
এর আগে বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের দিনটি শুধুমাত্র জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ তথ্য জানান।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, জাদুঘরে প্রবেশের জন্য সবাইকে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে।
তিনি জানান, দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে সময়ভিত্তিক (স্লট) প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্ধারিত দিনের সব স্লট পূর্ণ হয়ে গেলে আগ্রহীদের পরবর্তী দিনের জন্য টিকিট বুক করতে হবে। অনলাইন বুকিংয়ের সময়ই দর্শনার্থীরা তাদের প্রবেশের নির্ধারিত সময় জানতে পারবেন।
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের জন্য জাদুঘর পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হবে। তবে প্রথম দিন শুধুমাত্র জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরাই জাদুঘরটি পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।
সরকারের প্রত্যাশা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরতে এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।