মজুত খালি হওয়ায় অস্ত্র উৎপাদন বাড়াচ্ছে পেন্টাগন

ইরানের সঙ্গে চলমান পাঁচ মাসব্যাপী যুদ্ধে অস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর জন্য মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্প খাতকে চাপ দিচ্ছে পেন্টাগন।

শনিবার (৮ আগস্ট) পেন্টাগনের মুখপাত্র শান পারনেল এক বিবৃতিতে জানান, সামরিক বাহিনীর জরুরি প্রয়োজন মেটাতে অস্ত্র সংগ্রহ ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করার ওপর তারা জোর দিচ্ছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের হাতে পাওয়া এক স্মারকে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি ডিফেন্স সেক্রেটারি সামরিক উৎপাদনকারীদের ২১ দিনের মধ্যে আরও দ্রুত ও আগ্রাসী উৎপাদন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

ওয়াশিংটন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস)-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সাম্প্রতিক লড়াইয়ের কারণে পেট্রিয়ট ও থাড এয়ার ডিফেন্স ইন্টারসেপ্টরের মজুত ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে যে যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২ হাজার ৩৩০টি পেট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ছিল, যা বর্তমানে অন্তত ৬৫ শতাংশ কমে ৭৫৯ থেকে ৮২৭টিতে নেমে এসেছে। একইভাবে থাড ইন্টারসেপ্টরের মজুতও যুদ্ধের আগের তুলনায় অন্তত ৩৮ শতাংশ কমে গেছে।

অস্ত্রের ঘাটতির এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন যে দেশের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অস্ত্র রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা তৈরি ও সরবরাহ করা হচ্ছে।

এদিকে গত বছরের ৯০০ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে পেন্টাগনের বাজেট ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার হোয়াইট হাউসের প্রস্তাবে আইনপ্রণেতারা বাধা দেওয়ায় মার্কিন কংগ্রেসে প্রতিরক্ষা ব্যয় সংক্রান্ত বিলটি আটকে রয়েছে। পারনেল জানান যে ফেইনবার্গের এই স্মারক ২০২৮ অর্থবছরের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে যা প্রতিরক্ষা শিল্প খাতকে পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখবে।

সূত্র: এপি