জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহনকারী একটি ফেরি ডুবে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) আল জাজিরা প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। ৯০০ জনের বেশি যাত্রী নিয়ে মঙ্গলবার প্রবল ঢেউয়ের মুখে পড়ে নৌকাটি উল্টে গেলে অন্তত ৭৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
উত্তরের কারিবা শহর থেকে বিভিন্ন দ্বীপ ও মাছ শিকারের ক্যাম্পগুলোতে যাতায়াতকারী এই নৌযানটিতে অনুমোদিত ৯০ জনের চেয়ে অনেক বেশি যাত্রী তোলা হয়েছিল। এজেন্সির নিবন্ধিত টিকিট অনুযায়ী নৌকায় ১১৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী এবং পাঁচজন ক্রু সদস্য ছিলেন, তবে টিকিটের আওতায় না থাকা শিশুদের সংখ্যা এখনও নির্দিষ্ট করা যায়নি। জিম্বাবুয়ের জাতীয় পুলিশ পরিষেবা নিশ্চিত করেছে যে দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জেডবিসি প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, উল্টে যাওয়া নৌকার দিকে স্পিডবোট এবং মাথার ওপর হেলিকপ্টার নিয়ে উদ্ধারকারীরা এগোচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মাক্সটন কানহেমা এএফপিকে জানান, প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ফেরিটি ছাড়ার পর ঢেউয়ের আঘাতে এর ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে মাতুসোডোনা জাতীয় উদ্যানের হেলিকপ্টার, বড় নৌকা ও স্থানীয় ডুবারিরা এসে দ্রুত সহায়তা করেন।
খারারে থেকে ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি উত্তর-পূর্বে জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়া সীমান্তে অবস্থিত কারিবা হ্রদটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম মানবসৃষ্ট হ্রদ। বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা কিছুটা বিলম্বিত হওয়ায় অনেক প্রাণহানি ঘটেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
সূত্র: আল জাজিরা