বিএনপির জনপ্রিয়তার মূল কারিগর খালেদা জিয়া বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই দিনে দেশনেত্রী জন্ম নিয়েছিলেন, যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশকে বারবার নেতৃত্ব ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করার সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিএনপি যে একটি সত্যিকারের রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে, তার মূল কারিগর খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন সংগ্রাম ও লড়াই করে তিনি নিজের প্রশ্নে আপস করেননি এবং দলকে ধারণ করেছেন। তার কাজ, তার প্রেরণা আমাদের সবসময় অনুপ্রেরণা জোগায়।
শনিবার (১৫ আগস্ট) খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।
বিএনপিকে একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক দল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ আজকের এই দিনে আমরা সবাই এই শপথ নেব, বিএনপিকে আমরা সত্যিকার অর্থেই একটা আধুনিক গণতান্ত্রিক দল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যা সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে।’
তিনি বলেন, ‘আজ যখন বিএনপি সরকার গঠন করেছে, প্রতিটি মানুষের আশা, এই সরকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে নীতি ছিল, তিনি যে ‘ভিশন ২০৩০’ দিয়েছিলেন, পরবর্তীকালে তারই দলের কর্মসূচি হিসেবে ৩১ দফা, তাকে বাস্তবায়িত করবার জন্য আগামী দিনগুলোতে কাজ করে যাবে। দলকে শক্তিশালী করবে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ন রাখবে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ্ তাআলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বেহেশত নসিব এবং তার আত্মাকে শান্তি দান করেন। একইসঙ্গে আমরা আমাদের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্যও দোয়া করি, মহান আল্লাহতাআলা যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঞ্চালনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আব্দুল মঈন খান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সমাজকল্যাণবিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী আবুল বাশার।