নোবিপ্রবি'তে নীতিমালা ভঙ্গ করে শিক্ষক নিয়োগ, সাবেক উপাচার্যসহ পাঁচজনকে দুদকে তলব

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রণীত নিয়োগ নীতিমালা অমান্য করে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজওয়ানুল হকসহ পাঁচজনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. জাহেদ আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের তলব করা হয়। পরে গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এ–সংক্রান্ত চিঠি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেছে।

তলব করা অপর তিনজন হলেন—বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জামসেদুল ইসলাম, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্রাবন্তী দত্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী।

দুদকের নোটিশে বলা হয়েছে, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক প্রণীত নিয়োগ নীতিমালা অমান্য করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা প্রয়োজন।

নোটিশে আরও বলা হয়, উল্লিখিত অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীতে উপস্থিত হয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার কাছে বক্তব্য দিতে হবে।

নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানে ব্যর্থ হলে অভিযোগ-সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের চিঠিতে তলব করা ব্যক্তিদের আগামী ১৯ আগস্ট তাদের প্রত্যেককে সশরীর দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তার সামনে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।

চিঠি পাওয়ার বিষয়টি দৈনিক ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেছেন নোবিপ্রবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী। তিনি বলেন, নিয়োগের বিষয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে ডাকা হয়েছে। এবং চিঠির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা হয়েছে।