নেপালের কাঠমান্ডু থেকে ঢাকায় আসতে যেখানে বিমানে সময় লাগে মাত্র এক ঘণ্টার মতো, সেখানে কারিগরি ত্রুটির কারণে প্রায় সাত ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১২৭ যাত্রীকে।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়নের আগে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়। পরে যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ঢাকা থেকে পাঠানো হয় বড় একটি বিকল্প উড়োজাহাজ। সেটিতে করে রাত ১২টা ১০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইটটির নম্বর ছিল বিজি-৩৭২। রোববার বিকেল ৪টায় কাঠমান্ডু থেকে ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাইটটি ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। যাত্রীদের নিয়ে নির্ধারিত সময়ে উড়োজাহাজটি টার্মিনাল এলাকা ছাড়ে। রানওয়ের দিকে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর উড়োজাহাজটিতে কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে সেটি আবার টার্মিনালে ফিরিয়ে আনা হয়।
ফ্লাইটটির যাত্রী এস এম নুরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, উড়োজাহাজ টার্মিনাল ছাড়ার পর রানওয়ের দিকে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে কারিগরি ত্রুটির কথা জানানো হয়। পরে উড়োজাহাজটি আবার টার্মিনালে ফিরে আসে। যাত্রীদের নামিয়ে সেখানে অপেক্ষায় রাখা হয়।
এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কাঠমান্ডুর কান্ট্রি ম্যানেজার বাবুল আক্তার বলেন, উড়োজাহাজে কারিগরি ত্রুটি থাকায় যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। তবে ত্রুটি মেরামত করতে কত সময় লাগবে, তা তখন সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব ছিল না। বিজনেস ক্লাসের যাত্রীদের লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়। অন্য যাত্রীদেরও নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা জানান তিনি।
পরে আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে বিকল্প উড়োজাহাজ পাঠানোর উদ্যোগ নেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিমানের জনসংযোগ মহাব্যবস্থাপকের তথ্য অনুযায়ী, ১২৭ যাত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনতে রাত ১০টায় ঢাকা থেকে একটি বড় উড়োজাহাজ কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিকল্প উড়োজাহাজে করে যাত্রীদের ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়। রাত ১২টা ১০ মিনিটে সেটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।