নেশাজাতীয় দ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে হাসপাতালে একই পরিবারের ৭ জন

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের বাইশকাইল তালুকদারপাড়া গ্রামে নেশাজাতীয় বা বিষাক্ত দ্রব্য মিশিয়ে রাখা লবণ দিয়ে রান্না করা খাবার খেয়ে একই পরিবারের দুই শিশুসহ সাতজন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।  

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে নাশতা খাওয়ার পর তারা একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন গৃহকর্তা আনোয়ার হোসেন।

পরিবারের অন্য অসুস্থ ব্যক্তিরা হলো আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন, তিন কন্যা আরিফা বেগম, হামিদা বেগম ও অনামিকা খাতুন এবং আরিফার দুই সন্তান রওশান (৮) ও রায়েতা (৫)।

স্থানীয় বাসিন্দা রাজু ফকির জানান, আজ সকালে পরিবারের সদস্যরা নাশতা খাওয়ার পর বমি ও পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়। একপর্যায়ে সবাই চেতন হারিয়ে ফেলে। পরে প্রতিবেশীরা তাদের অচেতন অবস্থায় গোপালপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

আরিফা বেগমের দাবি, রান্নাঘরে রাখা লবণের পাত্রে শত্রুতাবশত কেউ বিষাক্ত বা নেশাজাতীয় কিছু মিশিয়ে দিয়েছে। সেই লবণ দিয়ে রান্না করা খাবার ও খাবারের সঙ্গে বাড়তি লবণ খাওয়ার পর সবাই অচেতন হয়ে পড়ে।

গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম জানান, একই পরিবারের সাতজনকে আজ দুপুরে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লবণের সঙ্গে নেশাজাতীয় কিছু মেশানো হয়েছিল।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমীন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।