প্রথমবারের মতো পিচ কিউরেটরদের জন্য কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সোমবার (২৪ আগস্ট) মিরপুরে দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালা শেষ হয়েছে। পরে এই কর্মশালা প্রসঙ্গে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপ করেন বিসিবির হেড অব টার্ফ ম্যানেজমেন্টের প্রধান টনি হেমিং।
হেমিং বলেন, ‘মূল উদ্দেশ্য হলো ১৫ থেকে ২৫ বছর ধরে ক্রিকেট বোর্ডের হয়ে কাজ করে আসা মাঠকর্মীদের পরিশ্রমকে স্বীকৃতি দেওয়া। এত দিন মাঠকর্মীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। লেভেল-১ চালুর মাধ্যমে আমরা তাদের সেই স্বীকৃতি পাওয়ার একটি সুযোগ তৈরি করেছি। এটাই মূল উদ্দেশ্য।’
মিরপুরে পিচের উন্নতিতে কিউরেটরদের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের কিউরেটরদের উন্নতি এরই মধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। গত ছয় মাসের পিচের পরিস্থিতি দেখলেই সেটা বোঝা যায়। আমরা সবাই মিলে মিরপুরের পিচে উন্নতি করতে পেরেছি, সেটিকে আরও খেলার উপযোগী করে তুলেছি।’
কিউরেটরদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে হেমিং বলেন, ‘আমি অনেক দেশে আইসিসির কিউরেটর কোর্স পরিচালনা করেছি। প্রথম কিউরেটর কোর্সটি হয়েছিল দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমিতে। সেখানে বাংলাদেশের দুজন শিক্ষার্থী বিলাল ও বাবুও ছিলেন। এভাবেই বিষয়টি এগিয়ে চলেছে। এখন পর্যন্ত আমার প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী হয়েছে।’
তিনি আরও বললেন, ‘৭০ জনের মধ্যে যদি ১০ জনকে আমরা এলিট পর্যায়ে নিতে পারি, সেটিই হবে বড় অর্জন। এরই মধ্যে আমাদের দুজন মাঠ কর্মকর্তাকে দেখা গেছে, একজন সিঙ্গাপুরে, আরেকজন চীনে গেছেন। অতীতেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মাঠকর্মীরা বিশ্বের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে নিজেদের জ্ঞান ভাগ করে নিয়েছেন। সেই ইতিহাস বাংলাদেশের আছে।’